বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, গত ২৮শে নভেম্বর 'বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০' বাতিল করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সই করা অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে।
অধ্যাদেশে বিতর্কিত আইনটি বাতিলের ঘোষণা দেয়া হলেও এর আওতায় চলমান প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম চালু থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈধ বলে গণ্য করা হবে এ আইনের আওতায় করা চুক্তিগুলোকেও। তবে অধ্যাদেশে বিতর্কিত এ বিশেষ আইনের অধীনে করা চুক্তিগুলো জনস্বার্থে পর্যালোচনা ও এ-সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশটি জারির পর থেকেই এ বিশেষ আইনের আওতায় করা চুক্তি ও প্রকল্পগুলোকে বৈধতা দেয়া এবং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, অধ্যাদেশে বিগত সরকারের দায়মুক্তি আইন বাতিলের ঘোষণা দেয়া হলেও এর আওতায় করা বিতর্কিত চুক্তি ও প্রকল্পগুলোকে দায়মুক্তির বড় সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়েছে। বৈধতা দেয়া হয়েছে আইনটির আড়ালে সংঘটিত ব্যাপক দুর্নীতি ও লুণ্ঠনকে।
এটি দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। এই খবরটি শুধু প্রথম আলো না, দেশের প্রায় সকল পত্রিকারই প্রধান শিরোনাম আজ। খবরটিতে বলা হয়েছে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় গতকাল সোমবার বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ঢুকে হামলা চালানো হয়েছে।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংঘর্ষ সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠনের সমর্থকেরা এ হামলা চালান। এদিন মুম্বাইয়ের বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কাছাকাছি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) আয়োজনে কয়েক শ লোক বিক্ষোভ করেছেন। হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি হলো ভিএইচপি'র সহযোগী সংগঠন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগরতলার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছে, কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পত্তি কোনও অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং দেশের (ভারতের) অন্যান্য স্থানে তাদের উপ ও সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।
তবে আগরতলার হামলার বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত উল্লেখ করে নিন্দা ও কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার ঘটনা বাংলাদেশ সরকারকে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। ঘটনাপ্রবাহ দেখে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত। এ ঘটনা কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা সনদের লঙ্ঘন। এ ছাড়া ওই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গতকাল রাতে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।


